পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের জয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়ে সুপার টুয়েলভে নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ


পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষের রেকর্ড ৮৪ রানে জয়লাভ করে বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ রাউন্ড নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে আজ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

Advertisement

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান সংগ্রহ করে পাপুয়া নিউগিনি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জয়ের রেকর্ড। এর আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১২ সালে ৭১ রানে জয়লাভ করেছিল টাইগার।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই নাঈম শেখের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কাবুয়া মোরের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইন থেকে ক্যাচ আউট হয়ে ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাঈম শেখ।

Advertisement

তবে সাকিব আল হাসান এবং লিটন দাস গড়ে তোলেন ৫০ রানের পার্টনারশিপ। ২৩ বলে একটি চার এবং একটি ছক্কার সাহায্যে ২৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লিটন দাস। এই দিন ব্যাট হাতে ভালো কিছু করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। দলীয় ৭২ রানের মাথায় মাত্র ৫ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

তবে আজও হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করতে পারেননি সাকিব আল হাসান। দলীয় ১০২ রানের মাথায় ৩৭ বলে তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৪৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। তবে অন্য প্রান্ত থেকে এবারের আসরে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

Advertisement

২৭ বলে তিনটি চার এবং তিনটি ছক্কার সাহায্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তবে হাফ সেঞ্চুরি তুলে প্যাভেলিয়নের ফিরেছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শূন্য রানে কাজী নুরুল হাসান সোহান আউট হলেও ১৪ বলে ২১ রান করে আউট হন মেহেদী হাসান। শেষের দিকে ৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফুদ্দিন।

১৮২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাপুয়া নিউগিনির ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১১ রানের মাথায় লেগা সাইকার উইকেট তুলে নেন সাইফুদ্দিন।

Advertisement

এরপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিতে থাকেন সাকিব আল হাসান। এর আগে ব্যক্তিগত প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন তাসকিন। ‌এরপর ইনিংসে পঞ্চম ওভারে এসে জোড়া উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। ২৯ রানের ৭ উইকেট হারানো পাপুয়া নিউগিনির হারের ব্যবধান কমান কিপলিন দরিগা। ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।

৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। এছাড়াও একটি উইকেট নেন মেহেদি হাসান এবং তাসকিন আহমেদ নেন ২ উইকেট। দুটি উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।





Source link