শিক্ষিকাকে লিফট দেওয়ার নাম করে ধর্ষণ, ভিডিও দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের জন্য চাপ



আমাদের ভারত, ১৪ মে: উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে এক স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল আমির নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই শিক্ষিকার উপর হওয়া নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে তার উপর চাপ দেওয়া হয় ধর্ম পরিবর্তন করে অভিযুক্তকে বিয়ে করার। ঘটনায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

নির্যাতিতা স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমির নামে গ্রামের পরিচিত এক বাসিন্দা তাকে বাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রথমে রাজি না হলেও শেষ পর্যন্ত ২৮ বছরের ওই শিক্ষিকা রাজি হয়েছিলেন ওই ব্যক্তির গাড়িতে উঠতে। কিন্তু কিছুটা পথ যেতেই ওই ব্যক্তি তার নাকের সামনে কিছু একটা ধরে। এই পর্যন্তই মনে আছে নির্যাতিতার। জ্ঞান ফেরার পরেই সে বুঝতে পারে, বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে নিজের লালসা মিটিয়েছে ওই আমির নামের ব্যক্তি।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এরপর সেই ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ধর্মান্তরকরণ করে আমিরকে বিয়ে করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় নির্যাতিতার উপর। এই ঘটনায় আমিরের পরিবারও যুক্ত। তার মা, বোন, ভাই ও পরিবারে আর এক ব্যক্তি নির্যাতিতাকে ধর্মান্তরিত হবার জন্য চাপ দিয়েছে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত ওই যুবতী পুলিশের দ্বারস্থ হয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশ ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত আমির সহ তার পরিবারের পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চলছে।