মহালয়ার পূণ্য লগ্নে, বন্ধ রাখা হলো দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের পুজো ও তর্পণ, হতাশ ভক্তরা



নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্যারাকপুর, ৬ অক্টোবর:
মহালয়ার পূণ্য লগ্নে, বন্ধ রাখা হলো দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের পুজো, গঙ্গার ঘাটে তর্পণও বন্ধ রাখা হয়েছিল। ফেলে হাজার হাজার ভক্ত হতাশ হয়ে ফিরে গেলেন।

মহালয়ারপুন্য লগ্নে গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে চলছে পিতৃপুরুষের উদ্যেশ্যে তর্পণ। কিন্তু এই বছর ব্যতিক্রমী চিত্র ধরা পড়লো দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের গঙ্গার ঘাটে। করোনা আতিমারীর জন্য এই বছর মহালয়ার সকালে খুললো না দক্ষিণেশ্বর মন্দির। সকাল থেকেই বন্ধ রাখা হয় মা ভবতারিণীর মন্দির। ফলে মহালয়ার পূণ্য লগ্নে দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে এসে ও তর্পণ করতে এসে ভক্তরা দেখেন তালা ঝুলছে মন্দিরের মূল ফটকে। কারব মহালয়ার দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দির বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

মন্দির বন্ধ থাকার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে যে সমস্ত ভক্তরা মন্দিরে পুজো দিতে আসছেন তারা পূজো না দিয়ে বাইরে থেকে ফিরে চলে যাচ্ছেন। সকাল থেকে প্রশাসন মন্দিরে গেটের সামনে তৎপরতার সাথে কাজ করছে এবং যে সমস্ত ভক্তরা মন্দিরের পুজো দিতে আসছে তাদের মন্দির বন্ধ রয়েছে বলে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই মন্দির বন্ধ থাকার ফলে ভক্ত থেকে সাধারণ মানুষ প্রত্যেকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন মন্দির বন্ধ থাকার ফলে মাকে বাইরে থেকে প্রণাম জানিয়ে চলে যেতে হচ্ছে। কেউ আবার বলছেন করোনা সময়কালে মন্দির কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাকে মেনে নিতে হচ্ছে। আবার কেউ বলছেন বিনা নোটিশে মন্দির কর্তৃপক্ষ যে মন্দির বন্ধ রেখেছেন তাতে পুজো দিতে এসে তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মহালয়ার দিন মন্দির বন্ধ থাকার ফলে সাধারণ মানুষ থেকে ভক্ত এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রত্যেকেই সমস্যার সম্মুখীনে পড়েছেন।

তবে, মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ ৩ টে তে খোলা হবে মন্দির। তবে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ঘাটে তর্পণ না হলেও মন্দিরে পার্শ্ববর্তী ঘাটগুলিতে তর্পণ হয়। এদিন মায়ের দর্শন না পেয়ে দূর দুরন্ত থেকে আসা ভক্তদের হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়।


পূর্ববর্তী প্রবন্ধেপাচারের পথে ১২টি উট উদ্ধার রায়গঞ্জে
পরবর্তী প্রবন্ধেমহালয়ার পুন্যলগ্নে ঘাটালের শিলাবতী নদীর বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ