ত্রিপুরায় সান্ত্বনা পুরস্কার পেয়েছে তৃণমূল, কটাক্ষ রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের



আমাদের ভারত, ২৮ নভেম্বর:একটি আসনে সান্ত্বনা পুরস্কার পেয়েছে। তাদের উৎসাহ বাড়বে। তৃণমূলকে স্বাগত। এই ভাবেই ত্রিপুরার পুরভোটের ফলাফলে গেরুয়া ঝড়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

ত্রিপুরার আমবাসাতেই একমাত্র খাতা খুলতে পেরেছে তৃণমূল। অন্যদিকে একের পর এক ওয়ার্ডে ঝড়ো ইনিংস খেলে বিজেপির জয়জয়কার শুরু হতেই তোপ দেগেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন “সান্তনা পুরস্কার পেয়েছে। এত পরিশ্রম, এত টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা! সান্ত্বনা পুরস্কার পেয়েছে। এটা ভালো বিষয়। ওদের উৎসাহ বাড়বে। তৃণমূলে তথাকথিত সর্বভারতীয় নেতারা আরও ত্রিপুরায় যাবেন। আরও চেষ্টা করবেন কিভাবে ১ থেকে ১০০ করা যায়। আমরা তাদের স্বাগত জানাই।‌”

ত্রিপুরায় পুরোভোটের পরিসংখ্যান দেখার পর একাংশের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ত্রিপুরাতে গেরুয়া ঝড় ওঠার অন্যতম কারণ বিরোধীদের ভোট কাটাকুটি হওয়া। বিরোধীদের ভোট কাটাকুটির কারণে একাধিক আসনে শেষ হাসি হেসেছে বিজেপি। বামেদের অভিযোগ আদতে বিজেপির সুবিধা করে দিতে ত্রিপুরার পুরভোটে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল।

এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দেখুন সিপিআইএম কি অভিযোগ করছে জানি না। আমরা দেখেছি সিপিআইএম সহ বামপন্থীরা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য “নো ভোট ফর বিজেপি” বলে একটি অভিযান চালিয়েছিল। আজও কলকাতার বিভিন্ন ফ্লাইওভারে তাদের “নো ভোট ফর বিজেপি” পোস্টার দেখতে পাবেন। কাদের জন্য ছিল এই নো ভোট ফর বিজেপি’র প্রচার? কাকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য করা হয়েছিল? সেটা আগে সিপিআইএম পরিষ্কার করুক। বামপন্থীরা পরিষ্কার করুক, তারপর না হয় ত্রিপুরা নিয়ে ভাববো।”

বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায় তৃণমূল কংগ্রেস যতই পশ্চিমবঙ্গ থেকে গুন্ডা বদমাইশ নিয়ে গিয়ে ত্রিপুরায় গন্ডগোল করার চেষ্টা করুক তাতে লাভ হবে না, হয়েওনি।‌ ত্রিপুরার মানুষ বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাই। গোটা রাজ্যজুড়ে ত্রিপুরাবাসীর জয়কে সেলিব্রেট করা হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মোট ৩৩৪ টি আসনের মধ্যে ৩৩০টিতে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি।‌ তৃণমূল জয়ী হয়েছে একটিতে।