সিদ্ধার্থকে দেখতে মেয়েদের ভিড়, তেলে বেগুনে জ্বলে লঙ্কাপোড়া দিয়ে নজর কাটালো মিঠাই


এবার পুজোতে সিদ্ধার্থকে কার্তিক ঠাকুর সাজিয়েছে মিঠাইরানী (Mithai)! সিদ্ধার্থের দেওয়া উপহারের টাকা থেকে নিজে গিয়ে পছন্দ করে বরের জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি কিনে এনেছে তুফান মেল। শুধু তাই নয়, দশমীর দিন ধুতি-পাঞ্জাবি বাদে বাড়ির সব ছেলেদের জামা-কাপড় ধোপার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও মিঠাইয়ের আনা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে কার্তিক ঠাকুরটি সাজতে বাধ্য উচ্ছে বাবু।

সিদ্ধার্থকে এই নতুন সাজে দেখে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। বাড়ির সকলের তো বটেই, সিদ্ধার্থ যখন বাইরে বেরোয় তখন তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় আশেপাশের মেয়েরাও। সিদ্ধার্থের আশেপাশে জমতে থাকে মেয়েদের ভিড়। মিঠাইকে মিষ্টির দোকান থেকে আনার জন্য সিদ্ধার্থ এসে হাজির হয় দোকানের সামনে। ব্যাস, ধুতি-পাঞ্জাবি পরা সাক্ষাৎকার কার্তিক ঠাকুর সিদ্ধার্থকে ছেঁকে ধরে মেয়েরা।

দোকানের ভিতর মিষ্টিপ্রেমীদের ভিড়, এদিকে বাইরে মেয়েদের ভিড়। তবে উচ্ছে বাবু আবার মহিলা ফ্যান ফলোয়ার্সদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন! এদিকে দোকান সামলে বাইরে বেরিয়ে এসে উচ্ছে বাবুকে মেয়েদের ভিড়ের মাঝে দেখে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে মিঠাইরানী। তার কার্তিক ঠাকুরকে দেখেই ছেঁকে ধরেছে মেয়েরা! মিঠাই রানী সটান হাজির ভিড়ের মাঝে।

মিঠাই এসে সকলের ভুল ভাঙিয়ে দিয়ে বলে দেয়, এই কার্তিক ঠাকুরের আইবুড়ো নাম অনেক আগেই ঘুঁচেছে। সে নিজেকে সিদ্ধার্থের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়। এদিকে সোমের সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত তোর্সা। সে এসে মিঠাইয়ের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেয়। তোর্সা মিঠাইকে বলে, এতই যখন ভয় তখন সিদ্ধার্থকে ঘরবন্দি করে রাখলেই হয়! যদিও তোর্সার এই কটাক্ষের সমুচিত জবাব দেয় মিঠাইরানী।

মিঠাই উল্টে তোর্সার উদ্দেশ্যেই কটাক্ষ ছুঁড়ে বলে, “বাইরের লোকরাও তো ঘরের ভিতর এসে কার্তিক ঠাকুরের উপর নজর দিতে পারে!” তাহলে কার্তিক ঠাকুরকে সকলের নজর থেকে বাঁচানোর উপায়? উপায় ভেবে বের করেছে মিঠাই। শুকনো লঙ্কা পোড়া দিয়ে নজর এড়ানোই যথার্থ উপায়। কারণ তার উচ্ছেবাবুর উপর যে বড্ড বেশি নজর লেগে যাচ্ছে আজকাল!